রাত ১১:১৫, ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৭৮ বছর আগে জাপানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইবেন না বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে। খবর দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের।
বাইডেন বর্তমানে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে হিরোশিমায় যাচ্ছেন। শহরটি ৬ আগস্ট ১৯৪৫ সালে পারমাণবিক হামলার শিকার হয়েছিল।
মানবতা বিরোধী ওই হামলায় হিরোশিমা শহরটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়। তার ৩ দিন পর জাপানের নাগাসাকি শহরে দ্বিতীয় পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করে আমেরিকা। দ্বিতীয় বোমা হামলায় আরও ৭০ হাজার মানুষ জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যায়।
হিরোশিমা শহরের পরমাণু বোমায় ১৫ হাজার এনটিএন ছিল। ওই বোমা বিস্ফোরণের সময় ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ছিল ৪ হাজার ডিগ্রি। ওই ২ শহরে বোমা হামলার ঘটনায় বেঁচে যাওয়া জাপানিদের বেশিরভাগই থাইরয়েড, ফুসফুস ক্যান্সারসহ আরও বিভিন্ন রকমের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান গতকাল (বুধবার) বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ১৯ থেকে ২১ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় জি সেভেনের বৈঠকে অংশ নিতে জাপান সফরে যাবেন। তবে তিনি হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে বোমা হামলার জন্য টোকিওর কাছে ক্ষমা চাইবেন না।
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরও বলেন, হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল পার্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলার বিষয়ে বাইডেন কোনো বিবৃতিও দেবেন না।
বাইডেন শুক্রবার অন্য ছয়জন জি-৭ নেতাদের সঙ্গে হিরোশিমা মেমোরিয়াল যাদুঘর পরিদর্শন করবেন। এছাড়াও কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং যুক্তরাজ্য থেকে তার সমকক্ষদের সঙ্গে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। জাদুঘর এবং স্মৃতিসৌধের মধ্যে রয়েছে হিরোশিমা প্রিফেকচারাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন হলের ধ্বংসাবশেষ যা বোমা হামলার পরে দাঁড়িয়ে থাকা একমাত্র ভবন।
মানবতা বিরোধী ওই হামলায় হিরোশিমা শহরটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়। তার ৩ দিন পর জাপানের নাগাসাকি শহরে দ্বিতীয় পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করে আমেরিকা। দ্বিতীয় বোমা হামলায় আরও ৭০ হাজার মানুষ জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যায়।
হিরোশিমা শহরের পরমাণু বোমায় ১৫ হাজার এনটিএন ছিল। ওই বোমা বিস্ফোরণের সময় ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ছিল ৪ হাজার ডিগ্রি। ওই ২ শহরে বোমা হামলার ঘটনায় বেঁচে যাওয়া জাপানিদের বেশিরভাগই থাইরয়েড, ফুসফুস ক্যান্সারসহ আরও বিভিন্ন রকমের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।